Monday, 3 September 2018

শিক্ষার্থীদেরকে উস্কানি দেয়ার অভিযোগ জকিগঞ্জে বিএনপি নেতা কারাগারে


জকিগঞ্জ অনলাইন নিউজ:: রাজধানীতে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও বিক্ষোভে উস্কানি দেয়ার অভিযোগে জকিগঞ্জ পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুশ শাকুরকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার রাত দেড়টার দিকে জকিগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল তার নিজ বাসা থেকে আটক করে।
সোমবার পুলিশ তাকে জকিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়্যাল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করলে আদালত জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
জকিগঞ্জ থানার ওসি হাবিবুর রহমান হাওলাদার জানিয়েছেন, জকিগঞ্জে শিক্ষার্থীদের উস্কানি দেয়ার কারণে বিশেষ ক্ষমতা আইনে অজ্ঞাতনামা ৫০/৬০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে জকিগঞ্জ পৌরসভা যুবদলের সভাপতি ও পৌর কাউন্সিলর রিপন আহমদ এ মামলাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ন মামলা উল্লেখ করে বিএনপি নেতা শাকুরের দ্রুত মুক্তির দাবী জানিয়েছেন।

কাজিরবাজার ব্রিজ থেকে লাফিয়ে তরুণীর আত্মহত্যার চেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টারঃ  সিলেট নগরীর কাজির বাজার সেতু থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন এক তরুণী। সোমবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী দুলাল আহমেদ জানান- সোমবার রাত ১০টার দিকে নগরীর কাজিরবাজার সেতু থেকে সুরমা নদীতে ঝাঁপ দেয় ওই তরুণী। পানির শব্দে উপস্থিত কয়েকজন নিচে তাকিয়ে ওই তরুণীকে হাবুডুবু খেতে দেখে ছুটে যান তারা। এসময় উপস্থিত কয়েকজন সাঁতরে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।
পরে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। ওসমানী হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত কর্মকর্তাএসআই পলাশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে জ্ঞান ফেরার পর মেয়েটি জানিয়েছে তার নাম স্বপ্না। তার বাসা নগরীর ভার্থখলা এলাকায়। তবে তার দেয়া নাম ঠিকানা সঠিক কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কূরুচিপূর্ণ স্ট্যাটাসে : তাজপুর কলেজের শিক্ষক বহিস্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কূরুচিপূর্ণ স্ট্যাটাস ও মন্তব্যের অভিযোগে তাজপুর ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক সৈয়দ রোমান আলীকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় রোববার দুপুরে ছাত্রলীগ নেতা ইমরান আহমদ বাদী হয়ে ওসমানীনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। উক্ত শিক্ষক ওসমানীনগরের উমরপুর ইউপির সৈয়দ মান্দারুকা গ্রামের সৈয়দ আতর আলীর পুত্র।
জানা যায়, গত ১৫ আগস্টসহ বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিনে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক সৈয়দ রোমান আলী তার নিজস্ব ফেইসবুক আইডিতে বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরর রহমান, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও দলের বিশেষ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যঙ্গাত্মক কূরুচিপূর্ণ স্ট্যাটাস দেন। ছাত্রলীগ সম্পর্কেও কূরুচিকর মন্তব্য রয়েছে তার। এসব ঘটনায় গত কদিন ধরে ওসমানীনগরের জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করলে তিনি পোস্ট ডিলিট করে বিষয়টি অস্বীকার করেন। আত্মপক্ষ সমর্থনে রোববার দিবাগত রাতে সৈয়দ রোমান আলী তার ফেইসবুক একাউন্টটি ডি-এ্যক্টিভ করেন।
এদিকে সোমবার সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা তাজপুর ডিগ্রি কলেজের সমবেত হলে কলেজ অধ্যক্ষ সৈয়দ রোমান আলীকে সাময়িক বহিস্কার ও এ সংক্রান্ত তদন্ত কমিটি গঠনের প্রতিশ্রুতি দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আলী মাহমুদ, ওসমানীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দাল মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক চঞ্চল পাল, কাতার আওয়ামী যুবলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কাতার শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম সোহেল, বালাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রকিব জুয়েল, ছাত্রলীগ নেতা সালেহ আহমদ, সোলেমান খান, শিমুর আলী, নবেদ আলী সেলিম, ফখর উদ্দিন, রাসেল আহমেদ, সুনীল বৈদ্য, রুবেল আহমদ, মোজাহিদ আলী, আব্দুল আলীম, রুবেল আলী, সুজন মাহমুদ, সাইদুর রহমান পিন্টু, রুবেল আহমেদ, নোমান হোসেন করণী, টুটুল দেব, সুশান্ত কপালী, উজ্জল আহমেদ, আলমগীর আহমেদ, কিবরিয়া, জুনেদ আহমেদ, রুজেল আহমেদ, কামরুল হাসান, ফরহাদ আলম প্রমুখ।
থানায় অভিযোগকারী ইমরান আহমদ বলেন, শিক্ষক রোমান আলী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ছাত্রলীগকে নিয়ে নোংরা ও কূরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তাই বাধ্য হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছি।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সৈয়দ রোমান আলীর সাথে কথা বলতে যোগাযোগ করা হলে তার ব্যবহৃত মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
তাজপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মনু মিয়া বলেন, রোমান আলীকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে। তাকে কেন স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হবে না সে মর্মে আগামী ৩দিনের মধ্যে কারণ দর্শানো জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সৈয়দ রোমান আলীর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

Sunday, 2 September 2018

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় স্কুল ছাত্রীকে ছুরিকাঘাত।

পটুয়াখালী জেলা সংবাদদাতা : পটুয়াখালীর জেলার কলাপাড়ায় প্রেম প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় নবম শ্রেনী ছাত্রী তুলিকে (১৫) ছুড়িকাঘাতে আহত করা হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে নয়টায় বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে স্থানীয় বখাটে নাইম (১৮) তাকে ছুড়িকাঘাত করে। স্থানীয়রা তুলিকে উদ্বার করে প্রথমে কলাপাড়া হাসপাতারে নিয়ে আসলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত তাকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ছুড়িকাঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার সময় ঘাতক নাইমকে স্থানীয় জনতা আটক করে মহিপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ও আহতের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তুলিকে প্রেম প্রস্তাব দিয়ে আসছিল স্থানীয় বখাটে ধুলাসর এলাকার সোলায়মানের পুত্র নাইম। প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল শনিবার বিদ্যালয়ের যাওয়ার পথে বখাটে নাইম তুলির পথ আটকে প্রেম প্রস্তাব দেয়। এতে সে রাজী না হলে তাকে ছুড়িকাঘাত করে। ধুলাসর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইব্রাহীম জানান, নাইমের বখাটেপনা ও উক্তত্ত করা নিয়ে বেশ কয়েকবার শালিস বৈঠক হয়েছে। কলাপাড়া হাসপাতালের চিকিৎসক ডাক্তর জে.এইচ. খান লেলীন জানান, নাভির নিচে ছুড়িকাঘাত করা হয়েছে। এত অতিরিক্ত রক্তক্ষন হয়। দু’ব্যাগ রক্ত দিয়ে সাথে সাথে বরিশাল রেফার করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। মহিপুর থানার ওসি মো.মিজানুর রহমান জানান, বখাটে নাইম আটক রয়েছে।

কুমিল্লায় জুয়ার টাকা দিতে না পেরে ‘বৌ বন্ধক’!

স্টাফ রিপোর্টারঃ  সিনেমা নাটকে বৌ ‘বন্ধক’ নিয়ে অনেক চলচ্চিত্র থাকলেও বাস্তব জীবনে বৌ বন্ধকের ঘটনা বিরল। কিন্তু বাংলা চলচ্চিত্রের ‘বৌ বন্ধক’ নামে সিনেমাটির বাস্তব রূপ দিয়েছে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার এক জুয়াড়ী যুবক। উপজেলার মাধাইয়া ইউনিয়নের নাওতলা গ্রামের আল-আমিন (২২) নামে এক যুবক জুয়া খেলায় সর্বস্ব হারিয়ে অবশেষে ৪ হাজার টাকা ধার নেয় সাথের আরেক জোয়াড়ি কামাল এর কাছে থেকে। ওই টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে অবশেষে নিজের বৌকে বন্ধক দেয় পাওনাদার কামাল এর কাছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামাল ও আল-আমিন সহ বেশ কয়েকজন যুবক একসাথে প্রতিদিন এলাকায় জুয়া খেলে। গত সোমবার আল-আমিন জুয়ায় হেরে কামাল এর কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা ধার নেয়। পরদিন মঙ্গলবার আবারও জুয়ার আসরে বসার পর কামাল আল-আমিন এর কাছ থেকে আগের পাওনা টাকা চায়। কিন্তু আল-আমিন ওই টাকা দিতে পারছিল না। এসময় কামাল টাকার পরিবর্তে তার (আল-আমিন) বউকে চেয়ে বলে- ‘টাকা দিতে না পারলে তোর বৌকে দুই দিনের জন্য আমার কাছে বন্ধক দে। এক পর্যায়ে আল-আমিন রাজি হয়। বুধবার দুপুরে আল-আমিন বৌকে বন্ধক রাখতে নিজের স্ত্রীকে কামাল এর সাথে রাত্রি যাপনের জন্য নির্দেশ দিয়ে বলে- ‘আজ রাতে কামাল আসবো। তার সাথে দুই রাত্র কাটাইতে হইবো।’ এ নিয়ে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হয়। বিকেলে আল-আমিন বাড়ি থেকে বের হয়ে গেলে তার স্ত্রী বাড়ির অন্যান্য লোকজনদের বিষয়টি জানায়। পূর্ব কথামত বুধবার রাত ১০টায় কামাল আল-আমিন এর ঘরে প্রবেশ করলে আশ-পাশের লোকজন কামালকে আটক করে মারধর করে। এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠে। পরদিন বৃহস্পতিবার বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কানে গেলে শুক্রবার রাতে মাধাইয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অহিদ উল্লাহ এর সভাপতিত্বে সাবেক চেয়ারম্যান বাচ্চু মিয়া, ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুল হালিম, সাবেক মেম্বার আব্দুল মমিন এর উপস্থিত শালিশে বৌ বন্ধক দাতা আল-আমিন ও বন্ধক গ্রহিতা কামালকে দোষি সাম্ভ্যস্ত করে তাদেরকে জুতা পেটা করে। এ ব্যাপারে ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুল হালিম জানায়, ঘটনাটি শুনেছি। তবে শালিশ দরবারে শুরু থেকে ছিলাম না মাঝামাঝি অবস্থায় শালিশে হাজির হয়েছি। শালিশের রায় অনুসারে তাদেরকে জুতাপেটা করা হয়েছে। এব্যাপারে মাধাইয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. অহিদ উল্লাহ জানান, এ ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এলাকার সম্মানহানীও বটে।

কৈতক হাসপাতালে নার্সই ডাক্তার

আবু তাহের ছাতক :: সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় কৈতক হাসপাতালে একজন নার্স হয়েও তিনি প্রতিনিয়ত ব্যবস্থাপত্র দিচ্ছেন রোগীদের। নিজ বাসায় একটি চেম্বারও খুলে বসেছেন তিনি। এখানেই শেষ নয় হাসপাতালের একমাত্র গাইনি চিকিৎসক সেজে প্রতিনিয়ত রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করছেন নার্স আয়শা বেগম।
ভুয়া এ চিকিৎসক তার ভুল চিকিৎসা ও প্রতারণার ফাঁদে ফেলে গ্রামের সহজ-সরল মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। ফলে ওই হাসপাতালে গিয়ে সুস্থ হওয়া তো দূরের কথা রোগীদের আরও বেশি বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
জানা গেছে, ২০১০ সালে হাসপাতালে একজন সেবিকা হিসেবে আয়শা বেগম যোগদান করেন। কিছুদিন পর ডাক্তার সেজে তার বাসায় চেম্বার খুলে নিয়মিতভাবে রোগী দেখা শুরু করেন। ডাক্তাররা তার অবৈধ প্রতারণা ব্যবসায় প্রতিবাদ করলে নেমে আসে নানা ধরনের হুমকি-ধামকির ঘটনা। ফলে মানসম্মানের ভয়ে প্রতিবাদ থেকে বিরত থাকেন তারা।
সরেজমিন দেখা গেছে, আয়শা বেগম নিজেই তার চেম্বারে আসা রোগীদের সেবা দিচ্ছেন। প্রতিটি রোগীর কাছ থেকে ফি নিচ্ছেন ৩০০ টাকা। চিকিৎসা শেষে নিজের সাদা কাগজে লিখে দিচ্ছেন প্রেসক্রিপশনও। চিকিৎসা কাজে ব্যবহৃত সব যন্ত্রপাতি চেম্বারে রাখায় রোগীরা সহজেই প্রতারিত হচ্ছেন।
হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে গাইনি ডাক্তারের পদ শূন্য থাকার সুযোগে তিনি এ প্রতারণা করে আসছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ নার্স আয়শা বেগম বেশিরভাগ সময়ই প্রাইভেট চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। ৮ বছর ধরে আয়শা বেগম একাধারে কর্মরত থাকায় হাসপাতালটিতে তার একক শাসন চলে।
এ বিষয়ে কৈতক হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক মোহাম্মদ মোজাহারুল ইসলাম জানান, নার্সরা রোগীর সেবা দেবে কিন্তু ব্যবস্থাপত্র দিতে পারবেন না।
তবে নার্স আয়শা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি রোগীদের ব্যবস্থাপত্র দেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিসের ভারপ্রাপ্ত চিকিৎসক জাহানারা বেগম জানান, চিকিৎসক ছাড়া কেউ যদি ব্যবস্থাপত্র লেখে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওই হাসপাতালের নার্সদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্তের পর দোষী প্রমাণিত হলে তাকে শাস্তি দেয়া হবে।

প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে মুমিন হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেফতারের দাবি জানালেন স্ত্রী।

স্টাফ রিপোর্টারঃ  সিলেটের জকিগঞ্জে পুকুর ও জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত আব্দুল মুমিন হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন স্ত্রী সেলিনা আক্তার। উপজেলার বারহাল ইউনিয়নের নিজগ্রামের সেলিনা আক্তার তার স্বামী আব্দুল মুমিন হত্যা মামলার আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং হুমকী দিচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। রোববার সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সেলিনা এসব অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, পুলিশ তাদের গ্রেফতার না করায় তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন। হামলার সাথে ১৫-২০ জন জড়িত। কিন্তু পুলিশ মামলা নিয়েছে ৭ জনের বিরুদ্ধে। তিনি বাদা পড়া আসামীদের মামলায় অন্তভূক্তির দাবি করেন।

লিখিত বক্তব্যে সেলিনা উল্লেখ করেন, তার স্বামীর সাথে চাচা শ্বশুরের দেবরদের বাড়ীর পুকুর ও জমি-জমা নিয়ে বিরোধ চলছে। পাশ্ববর্তী বাড়ীর লোকদের সাথে মসজিদ কেন্দ্রিক পূর্ব শত্রুতা ছিল। সেই আক্রোশ তার ভাসুর আরু হোসেনকে মারধর করায় স্বামী মুমিন বাদী হয়ে আসামী কাওছার গংদের বিরুদ্ধে জকিগঞ্জ থানার মামলা (নং-৯, তাং-১৮/০৩/২০১৮) করেন। পরবর্তীতে তার স্বামী রাস্তায় মোবাইল ফোনে আলাপরত অবস্থায় প্রতিপক্ষ হামলা করে। তাকে প্রথমে ওসমানী হাসপাতালে ও পরে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৬ মার্চ মারা যান। এ ঘটনায় কাওছার আহমদ, ওয়েছ আহমদ, ছয়েফ আহমদ সাইফ, আব্দুল কাদির, গুলজার হুসাইন, জুনেদ আহমদ, উবেদ আহমদ, লেইছ, সুলতান, মোসাদ্দিক, ফাহিম আহমদ, নজু মিয়া,  মোস্তাক আহমদ, আক্তার, শামীম আহমদসহ ৪-৫ জনকে আসামী করা হয়। কিন্তু ওসি ৭জনকে  আসামী করে একটি মামলা গ্রহন করেন। সেলিনা জানান, ওসি পরবর্তীতে বাকী সব আসামীদের অন্তভর্’ক্তির আশ্বাস দিলেও তাদের অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি। পরবর্তীতে তার ভাসুর লেকু মিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন (সি.আর.মামলা নং-৬৭-২০১৮)। যার রিপোর্ট থানা পুলিশ এখনো দেয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে সেলিনা দাবি করেন, আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করছে এবং মোবাইল ফোনে তাদের পরিবারের লোকজনকে আসামীরা হুমকি দিচ্ছে। থানা থেকে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। তিনি তার দুই অবুঝ সন্তান ও তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্ত দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনের পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

জকিগঞ্জ অনলাইন নিউজ

ভয়ংকর নারী প্রতারক জাহেদা আক্তার পপি আটক

স্টাফ রিপোর্টারঃ   জকিগঞ্জে সুলতানপুর ইউনিয়নের বাদেজমা গ্রাম থেকে স্থানীয়রা এক ভয়ংকর নারী প্রতারককে আটক করে মঙ্গলবার পুলিশের কাছে সোপর্দ ক...