Wednesday, 8 August 2018

যশোরে স্বামীকে তালাক দিয়ে ভাতিজাকে বিয়ের দাবিতে চাচির অনশন

ভাতিজা হৃদয় সাথে প্রায় চার বছর প্রেমের সর্ম্পকের পর শানজিদা নামের ওই নারী স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিক ভাতিজার বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন। আড়াই বছরের এক ছেলে রেখে যশোরের ঘোপ সেন্টাল রোডে বিয়ের দাবিতে স্বামীর ভাতিজার বাড়িতে অনশন করেছে চাচি শানজিদা আক্তার মৌ (১৯)। শানজিদা একই এলাকার মাহাবুর সরদারের ছেলে বাপ্পীর স্ত্রী। ভাতিজার সাথে প্রায় চার বছর অবৈধ সর্ম্পকের পর স্বামীকে তালাক দিয়ে শানজিদা সোমবার প্রেমিক ভাতিজার বাড়ির সামনে অবস্থা নেয়।সানজিদা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তার স্বামীর চাচতো ভাই স্বপন ঠিকাদারের ছেলে ডাঃ আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী হৃদয়ের সাথে তিনি প্রেমের সর্ম্পকে জড়িয়ে পড়েন। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে হৃদয় তার সাথে একাধিক বার দৈহিক সর্ম্পকও স্থাপন করেছে। বিষয়টি হৃদয়ের বাবা ও স্বপনসহ তার পরিবারের সবাই জানতেন। হৃদয় ও তার বাবার পরামর্শে তিনি তার স্বামী বাপ্পীকে তালাকও দিয়েছে। তবে তালাক দেওয়ার পর তার প্রেমিক হৃদয় তাকে বিয়ে করতে আর রাজি হচ্ছেন না। বিয়ের দাবি নিয়ে হৃদয়ের বাড়িতে গেলে হৃদয়ের বাবা স্বপন ও তার মা সেলিনা বেগম তাকে শারিরীকভাবে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। শানজিদা বলেন, হৃদয় আমার সাথে প্রেমের সর্ম্পক করে সংসার ভেঙ্গেছে। হৃদয়কে পাওয়ার জন্য স্বামীকে তালাক দিয়ে আমি রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছি। হৃদয়ের সাথে আমাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য আমি জোর দাবি জানাচ্ছি। এদিকে, ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে হৃদয়ের বাবা স্বপন ঠিকাদার প্রভাবশালীদের কাছে ধর্না দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।এলাকাবাসী এরকম চাঞ্চলকর ঘটনায় খুবই বিরক্ত প্রকাশ করে বলেন সামাজিক পরিবেশ নষ্ট করছে, এতে করে স্কুল কলেজের ছেলে মেয়েদের মানসিক এবং বাস্তবিক চিন্তাভাবনা বিনষ্ট হচ্ছে।

Sunday, 5 August 2018

প্রেমে প্রত্যাখ্যান অতপর আত্মহননের পথে বেচেঁ নিল শামীমা ?

.
সুনামগঞ্জ :দক্ষিণ সুনামগঞ্জের দরগাপাশা ইউনিয়নে আক্তাপাড়া নয়াহাটি গ্রামের হতদরিদ্র পিতৃহীন শামীমা বেগম (১৬)। গত বুধবার সকালে আত্মহত্যা করেছে সে। মেয়েটির বাবা মৃত আমিরুল ইসলাম ওরফে আল ইসলাম। মা জাহানারা বেগম একজন গৃহকর্মী। মানুষের বাসায় বা প্রতিদিন রোজের মূল্যে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন তিনি। প্রেমের কারণে লোক লজ্জার ভয়ে জাহানারা বেগমের মেয়েটি বুধবার সকাল ৯টায় নিজের ঘরে গলায় কাপড় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
শামীমা বেগমের আত্মহত্যা নিয়ে আক্তাপাড়া গ্রামে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। কেনো মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে ? এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজতে বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী এই গ্রামে অবস্থান করেন এই প্রতিবেদক। এবং তদন্তে বেরিয়ে আসে এক হৃদয় বিদারক কাহিনী।
স্থানীয় একাধিক লোকের সাথে আলাপ করে জানা যায়, একই গ্রামের প্রতিবেশি আছকন্দর আলীর ছেলে ও সাবেক ইউপি সদস্য ছালেক মিয়ার ভাই শাহীন আলম (২৫) নামের যুবকের সাথে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল নিহত শামীমার। প্রেমের এই সম্পর্ক সবকিছু ছাপিয়ে শারীরিক সম্পর্ক পর্যন্ত গড়ায়। গ্রামের এক কোণে আলাদা বাড়ি হওয়ায় শামীমাদের বাড়িতে গোপনে রাতে যাতায়াত করত শাহিন। একাধিকবার তাকে ধাওয়া করে ধরতে না পারায় মেয়েকে শাসন করেন মেয়ের মা জাহানারা। ছেলের ভাই সাবেক ইউপি সদস্য ছালেক মিয়ার কাছে একাধিকবার বিচার দিলে পাল্টা গঞ্জনা আর অবজ্ঞার স্বীকার হতে হয় তাদের।
ঘটনার দিন রাতেও (বুধবার) অন্যান্য সময়ের মতো গোপনে শামীমার ঘরে ঢুকে প্রেমিক শাহিন। মা ও আত্মীয় স্বজন মিলে শাহিনকে শামীমার ঘর থেকে আটক করেন। আটকের পর ঘরের ভিতর বেঁধে রেখেছিলেন। তাদের পরিকল্পনা ছিল সকালে শাহিনকে গ্রামের মুরব্বিদের সামনে হাজির করবেন বলে। শামীমার মনে আশার সঞ্চার হয়, অপমানিত হয়ে হলেও শাহিন আলমের সাথে তার বিয়ে হবে।
কিন্তু শামীমার সেই আশায় বাঁধ সাধে শামীমাদের প্রতিবেশি হাছন আলী নামের উশৃঙ্খল এক যুবক। হাছন আলী তছকির আলীর ছেলে। আটককৃত শাহিন আলমের পক্ষ ধরে হাছন আলী ভোরে দেশিয় অস্ত্র (রামদা) নিয়ে অসহায় পরিবারের উপর হামলা করে জোরপূর্বক শাহিন আলমকে ছাড়িয়ে নেয় এবং পুকুর সাঁতরে পালিয়ে যায়। তাদের ধরতে ও গ্রামের মুরব্বিদের বিষয়টি জানাতে সকালে যখন শামীমার মা ও আত্মীয় স্বজন দৌঁড়ঝাঁপ করছিলেন তখন খালি ঘরে একাই শামীমা অবস্থান করছিলো। বিষয়টি গ্রামে জানাজানি হওয়ায় ও প্রেমিক শাহিন আলম পালিয়ে যাওয়ায় লজ্জায় ও ক্ষোভে সকাল ৮ টায় নিজ বসতঘরে আত্মহনন করে শামীমা। এই ধারণা করেন স্থানীয়রা।
পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠায়। ময়না তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার শামীমার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করলে পারিবারিকভাবে দাফন করা হয়।
এলাকাবাসী চান, শামীমার লাশ দাফনের মধ্য দিয়েই যেনো শামীমার মৃত্যুর জন্য দায়ীরা পার পেয়ে না যায়। অথবা গ্রাম্য শালিসের নামে প্রহসন করেই যেনো শামীমাদের চিরমুক্তি দেয়া না হয়। একটি হতদরিদ্র পরিবারের মেয়েকে প্রলোভন দেখিয়ে ক্রমান্বয়ে একাধিকবার মেলামেশা, ভাই সাবেক ইউপি সদস্যের কাছে একাধিকবার বিচার দিয়ে বিচার না পাওয়া, পাশের বাড়ির হাছন আলী কর্তৃক রামদা দেখিয়ে আটককৃত অভিযুক্ত শাহিন আলমকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়াই শামীমাকে মৃত্যুর দিকে এগুতে প্রলুব্ধ করেছে।
স্থানীয়রা মনে করেন, হাছন আলী যদি এমন কাজ না করতো তাহলে আসামী শাহিন তাদের হাতে আটক থাকতো। ঘটনার পরদিন সকালে মুরব্বিরা মিলে সমাধানের দিকে যেতেন অথবা শামীমাকে শাহিন আলমের সাথে বিয়ে দিতেন। সামাজিকভাবে সমাধান না হলে পুলিশে দেয়া যেত। কিন্তু তাকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ায় কিছুই করা সম্ভব হয়নি। তাই লোক লজ্জায় হয়তো এই পথ বেছে নিয়েছে হতভাগী শামীমা।
শামীমার মৃত্যুর ঘটনায় দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন মেয়ের মা জাহানারা বেগম। তিনি মেয়ের শ্লীলতাহানি থেকে শুরু করে হত্যা করাসহ সব কিছুর বিচার দাবি করেন। তিনি বলেন,‘আমার মেয়ের মৃত্যুর কারণ হাছন আলী ও শাহিন আলম। হাছন আলী কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ করে হামলা করে আসামীকে ছাড়িয়ে নেওয়ায় রাগে লজ্জায় আমার মেয়ে গলায় দড়ি দিয়েছে। আমি শাহীন আলম ও হাছন আলীর সমান বিচার চাই।’
অভিযুক্ত হাছন আলী বলেন, ‘আমার উপর আনিত অভিযোগ মিথ্যা। শাহিন আমার বাপ না ভাই লাগে যে, আমি তাকে ছাড়িয়ে আনতে যাবো?’ প্রমাণ আছে বলে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘ভাই আপনার লেখালেখি করার কি দরকার? আপনার সাথে আমার এক পরিচিত বর্তমান মেম্বার দেখা করবেন, খরচের টাকা দেবেন, দয়া করে এসব বাদ দিয়ে দেন। কথা রেকর্ড হচ্ছে এমন কথা বললে সংযোগ কেটে দেন তিনি।’
অভিযুক্ত শাহিন আলমের বড় ভাই প্রাক্তন ইউপি সদস্য ছালেক উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার ভাই অনেক আগেই আমাদের পরিবারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। আমার ভাই শাহিন আলম প্রকৃতপক্ষে অপরাধী হয়ে থাকলে আমি চাই প্রচলিত আইনে তার শাস্তি হোক।’
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরি বলেন, ‘মামলাটি তদন্তাধিন আছে। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মামলার কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

হিফযুল ক্বোরআন_২০১৮ সার্বিক সহযোগিতায় এম জাকির হুসেইন।

স্টাফ রিপোর্টার::বিগত বছরের ন্যায় জকিগঞ্জের কৃতি-সন্তান,বৃটিশ বাংলাদেশী শিল্পপতি এম.জাকির হুসেইন-এর সার্বিক সহযোগিতায় জকিগঞ্জ উপজেলা ব্যাপী হিফযুল ক্বোরআন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের নিয়মাবলী: ১ম গ্রুপ-৩০ পারা,২য় গ্রুপ-১৫ পারা। একই দিনে ২টি পর্বের মাধ্যমে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। একটি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিটি গ্রুপে সর্বোচ্চ ৪ জন অংশগ্রহন করতে পারবে। গ্রুপ- এ প্রতিযোগির বয়স ২০ বৎসরের মধ্যে হতে হবে। রেজিষ্ট্রেশন ফরমের সাথে সদ্য তুলা ২ কপি পিপি সাইজের রঙ্গিন ছবি যুক্ত করে দিতে হবে। ০৯/০৮/২০১৮খ্রি. রোজ-বৃহস্পতিবার,এর মধ্যে উল্লিখিত স্থানে ফরম জমা দিতে হবে। ২৬/০৮/২০১৮খ্রি. রোজ-রবিবার,সকাল-৯.৩০ থেকে গঙ্গাজল হাসানিয়া সিনিয়র মাদ্রাসায় প্রথম বাছাই পর্ব পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং তার পরপরই মঞ্চে ফাইনাল পর্বের পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্যেক প্রতিযোগি উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত শিক্ষার্থী বাধ্যতামূলক। প্রত্যেক প্রতিযোগি অবশ্যই প্রতিযোতার নিয়মানুযায়ী ফরম পূরণ করতে হবে। গ্রুপ-এ পুরষ্কার সমূহ (৩০ পারা) ১ম পুরষ্কার দশ হাজার টাকা ২য় পুরষ্কার সাত হাজার টাকা ৩য় পুরস্কার পাঁচ হাজার টাকা ৪র্থ পুরস্কার তিন হাজার টাকা ৫ম পুরস্কার দুই হাজার টাকা । গ্রুপ-বি (১৫ পারা) ১ম পুরস্কার আট হাজার টাকা, ২য় পুরস্কার পাঁচ হাজার টাকা,৩য় পুরস্কার তিন হাজার টাকা,৪র্থ পুরস্কার দুই হাজার টাকা, ৫ম পুরস্কার পনেরোশত টাকা। এছাড়া মেধাক্রমে উভয় গ্রুপে একহাজার ও পাঁচশ টাকা প্রদান করা হবে এবং প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহন কারী প্রত্যেক প্রতিযোগিকে যাতায়াত বাবদ হাদিয়া প্রদান করা হবে। ফরম জমা দেওয়ার স্থান, হাসানিয়া লাইব্রেরী,গঙ্গাজল বাজার। থানাবাজার হাবিবিয়া হিফজুল কোরআন মাদ্রাসা। কালিগঞ্জ জামেয়া ইসলামিয়া,জামিয়া মুহাম্মদিয়া গফুরিয়া বড়পাথর। শাহবাগ জামেয়া মাদানিয়া ক্বাসিমূল উলূম। রফিজ আলী শাফাতুন নেছা হাফিজিয়া মাদ্রাসা,গোটারগ্রাম।

Saturday, 4 August 2018

জকিগঞ্জে স্লিপের টাকায় রমরমা বাণিজ্য_ ক্ষুব্ধ এস.এম.সি ও শিক্ষক সমাজ।

স্টাফ রিপোর্টারঃ জকিগঞ্জের প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী সাইফুল ইসলাম চলতি বৎসরের জানুয়ারি মাসে অত্র উপজেলায় যোগদান করেন। জানা যায় উত্তর বঙ্গের রামপাল উপজেলা থেকে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে স্ট্যান্ড রিলিজে বদলী হয়ে আসেন। অত্যান্ত সুচতুর ও কৌশলী এ কর্মকর্তা যোগদান করেই বিভিন্ন কুটকৌশল শুরুকরেন। শুরুতেই শিক্ষক নেতাদের বিভাজন ও দালাল শিক্ষকদের হাত করে, অফিসের দুর্নীতিবাজ কর্মচারীদের মাধ্যমে বদলী বাণিজ্য নিরাপদে সম্পন্ন করেন। জকিঞ্জের বিভাজিত প্রাথমিক শিক্ষক সমাজ এর কোন প্রতিবাদ করতে পারেনি।  তিনি শিক্ষার উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কাজের এজেন্টা এনে শিক্ষক সমাজকে সুকৌশলে তটস্থ রাখেন শিক্ষক নেতারা ধীরে ধীরে উনার গতি বিধি ধরতে পেরলেও ভয়ে মুখ খুলেনি। ফলে ধাপটের সাথে তিনি দুর্নীতির পথে এগিয়ে চলেন।
বিগত ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের জুন মাসে ১৩৬টি বিদ্যালয়ের ৪০হাজার টাকা করে সরকারি বরাদ্দ আসে।  ৪৫ টি বিদ্যালয়ের নামে ১০ হাজার টাকা করে রুটিন মেরামতর কাজে বরাদ্দ আসে, ২০ টি বিদ্যালয়ের নামে ২০হাজার টাকা করে বাতরুম মেরামতের কাজে বরাদ্দ আসে। এ সকল বরাদ্দকৃত টাকা বিদ্যালয়ের নিয়মিত এস.এম.সি কমিটি নির্ধারিত কাজে ব্যয় করার বিধান ও নীতিমালা রয়েছে। কিন্তু শিক্ষা কর্মকর্তা এসব বরাদ্দের লোভ সামলাতে পারেনি। এসব বরাদ্দে ঘাড়ে ঘুষের রেইট বসিয়ে দিয়ে তা আদায় করে নেন। তিনি বরাদ্দ প্রাপ্ত বিদ্যালয়ের প্রধানদের কাছে থেকে ১০ হাজার টাকার বরাদ্দে ৫ শত টাকা, ২০ হাজার টাকার বরাদ্দে ১ হাজার টাকা করে উৎকোচ নির্ধারিত করে আদায় করেন। শুধু তাই শেষ নয়, অফিস স্টাফকে ২-৩শত টাকা করে দেওয়ার নির্দেশনা দেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন। শিক্ষকরা সাথে সাথে প্রতিবাদ করতে না পরে তাই শিক্ষকদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দেন।  বিগত মাসে ৫ম শ্রেণির মডেল টেস্ট পরীক্ষার ফিসের নামে বাণিজ্য করা হয়। সরকারি নীতিমালা ৩৫ টাকা করে ফিস আদায় করার কথা থাকলেও তিনি কোন বিদ্যালয়ে ৫০টাকা, করে আবার কোন কোন বিদ্যালয়ে ৪০ টাকা করে ফিস আদায় করান। এতে অভিভাবকরা চরম ভাবে ক্ষুব্ধ হয়। শিক্ষকদের মানসিক চাপে রাখতে ডিজিটাল হাজিরার পরামর্শ দিয়ে শিক্ষক সমাজে বিভ্রান্তি ছড়ান। সর্বশেষ স্লিপ বরাদ্দের ৪০হাজার টাকা নিয়ে ওপেন বাণিজ্য শুরু করেন।  তিনি এবং তার সহকারী কর্মকর্তাবৃন্দ  বরাদ্দ আসার সাথে সাথে শকুনি দৃষ্টি পেলে দিনরাত হিসাব কষতে থাকেন। শিক্ষকদের নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে দর কষাকষি করতে থাকেন। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত হয় যে, স্লিপ পরিকল্পনায় নেয়া বিভিন্ন পণ্য ক্রয়ের দায়িত্ব তাদের হাতে দিতে হবে। পণ্য গুলো হলো: ১।সাউন্ড সিস্টেম ক্রয় ২। ক্ষুদে ডাক্তারদের ১৫টি এপ্রোন ক্রয় ৩। কাব শিশুদের ১২টি করে কাব ড্রেস ক্রয়, এগুলো উনারা কিনে দিবেন। যা সরকারি বিধির সুস্পষ্ট লঙ্গন। এছাড়া শিক্ষা অফিসারকে ১হাজার টাকা করে ১৩৬টি বিদ্যালয়কে দিতে হবে।
যা অডিটের আদায় করে নেয়া হবে। নতুবা প্রতিটি বিদ্যালয় পরিদর্শন করে এর মাশুল আদায় করা হবে। শিক্ষকরা প্রথম দিকে এতে সাড়া না দেয়ায় শিক্ষা কর্মকর্তা (১৩৬টি বিদ্যালয়ের ৪০হাজার × ১৩৬ = ৫৪ লক্ষ ৪০হাজার টাকা জুন মাসে পাশ করিয়ে নিজের একাউন্টে রেখে দেন। যা সরকারি বিধান বর্হীভুত। পরবর্তীতে শিক্ষকদের সাথে দর কষাকষি সম্পন্ন হলে জুলাই মাসের ১৫তারিখর পর স্ব স্ব বিদ্যালয়ের একাউন্টে প্রেরণ করেন। একাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলন করতে প্রধান শিক্ষকের সাথে এস.এম.সির সভাপতির যৌথ স্বাক্ষর চেকে প্রয়োজন হয়। শিক্ষকরা এস.এম.সির সভাপতির স্বাক্ষর নিয়ে টাকা তুলতে গেলে অনেক ঘোমড় ফাস হয়ে যায়। শিক্ষা কর্মকর্তাদের বাণিজ্যের ছক প্রকাশ পেয়ে যায়। বাঁধা আসে এ পক্রিয়ায়। শিক্ষকরা তাদের কর্তাদের বিষয়টি বলে। কিন্তু শিক্ষা কর্মকর্তারা না ছোড় বন্দা, তারা সভাপতিদের ম্যানেজ করে কাজ আদায় করতে হুমকি দেন। অনেক সভাপতি সরাসরি ঐ সব কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করে জানতে চান। শিক্ষা কর্মকর্তা বিভিন্ন ভাবে বুঝিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান। শিক্ষা কর্মকর্তা তার সহকারী ও কর্মচারীদের নিয়ে রুদ্ধধার বৈঠক  করে সাহস যোগিয়ে যান। সর্বশেষ কাজে সফলও হন, ফুর ফুরা মিজাজে রমরমা বাণিজ্য হয়। শিক্ষা কর্মকর্তা দায়িত্বে ক্রয় করা হয় ১.কাব শিশুদের ড্রেস ২.ক্ষুদে ডাক্তারদের এপ্রোন, প্রতিটি বিদ্যালয়ে ১২ পিছ করে ১৩৬×১২=১৬৩২ পিছ, প্রতি পিছ এর মূল্য ৬শত টাকা করে ১৬৩২×৬০০= ৯লক্ষ ৭৯হাজার ২শত টাকা, প্রতিটি কাব ড্রেসের সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ৪শত টাকা অথচ নেয়া হয়েছে ৬শত টাকা করে।  এতে লাভ বাণিজ্য হয়েছে ৯লক্ষ ৭৯হাজার ২শত= ৬লক্ষ ৫২হাজার ৮শত (১৬৩২×৪০০)=৩লক্ষ ২৬হাজার ৪০০ শত টাকা। ক্ষুদে ডাক্তার এপ্রোনে প্রতিটি বিদ্যালয়ে ১৫পিছ করে, ১৩৬টি ২০৪০পিছ কিনা হয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয় থেকে পিছ বাবদ আদায় করা হয়ছে ৩ শত টাকা করে মোট আদায় হয়ছে ৬লক্ষ ১২হাজার টাকা। এসব এপ্রোন পিছের বাজার মূল্য সর্বোচ্চ ২শত টাকা করে অথচ আদায় করা হয়েছে ৩শত টাকা করে ব্যবসা দাঁড়িয়েছে ৬লক্ষ ১২হাজার টাকা - ৪লক্ষ ৮০হাজার টাকা (২০৪০×২০০)=২লক্ষ ৪০হাজার টাকা এসব পণ্য শুধু ঢাকা গার্মেন্টস অর্ডার দিয়ে এক সাথে রেল পথে আনা হয়েছে বলে জানা যায়।
সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ও কিছু শিক্ষকদের প্রলোবিত করে সাউন্ড সিস্টেম, হোয়াইট র্বোড, পুশপিন র্বোড,  ডিজিটাল ব্যানার, বঙ্গবন্ধুর ছবি  সহ বিভিন্ন পণ্য এক সাথে কিনায় ভাল বাণিজ্য করতে সক্ষম হয়েছেন।  এ বিষয় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের এস.এম.সির সভাপতি গণক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করে বলেছেন বিধি মোতাবেক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন বরাদ্দের কাজ পরিচালনা কমিটি করার কথা। এখানে শিক্ষা কর্মকর্তা কি হরিলুট বাণিজ্য করলেন। আমরা কমিটিতে থেকে তার এসব অনুমোদন দিব? ধ্রুর্ত শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে পেরে উঠা গেলনা। আমার কাছে এসব ফরমের ডকুমেন্ট রয়েছে। প্রয়োজনে শো করবো। এছাড়াও শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে শিক্ষকদের জুলাই মাসের বর্ধিত বেতনের ইনক্সিমেন্ট যোগ করতে ৬০/- টাকা করে শিক্ষক প্রতি নিচ্ছেন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তারা রমজান মাসে অনষ্টিতব্য সাব ক্লাস্টারের শিক্ষকদের সম্মানী ভাতা এখনো পরিশোধ করেনি বলে জানা যায়।

হবিগঞ্জে ছাত্রের শরীরে এসিড নিক্ষেপ করলেন শিক্ষক

স্টাফ রিপোর্টারঃ:হবিগঞ্জ টেনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মঈন উদ্দিন(১৫) নামে এক ছাত্রের গায়ে এসিড ছুড়ে ঝলসে দিয়েছেন রসায়ন বিষয়ের শিক্ষক আব্দুল কাইয়ুম। খবর পেয়ে পুলিশ ওই শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা সড়ক অবরোধ করে শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। শনিবার (৪ আগস্ট) সকাল পৌনে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় মঈন উদ্দিন আহমেদ (১৫) নামের ওই ছাত্রকে হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঈন উদ্দিন সদর উপজেলার বড় বহুলা গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে এবং ওই প্রতিষ্ঠানের কেমিস্ট শাখার নবম শ্রেণির ছাত্র।। এসিডে আক্রান্ত মঈনুদ্দিন জানায়, বেলা পৌনে ১১টার দিকে সে শিক্ষক আব্দুল কাইয়ুমের ক্লাসে সাবান তৈরি শিখতে যায়। এ সময় সে টেবিলে হাত দিলে রাগের মাথায় শিক্ষক তার শরীরে এসিড ছুড়ে দেন। পরে অন্যান্য ছাত্র ও স্থানীয়রা এসে তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় দায়ী শিক্ষকের শাস্তি দাবি করে মঈন উদ্দিনের বাবা ফুল মিয়া মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেনবলে জানিয়েছেন । সদর হাসপাতালের সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. আব্দুল কাইয়ুম বলেন, মঈন উদ্দিনের শরীরে এসিড দেওয়া হয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে। এদিকে বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা ওই শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ করে রাখে। পরে সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক জানান, আমরা তাকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছি।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে এবার আন্দোলনে নামছে ছাত্রলীগ

সারাদেশে নিরাপদ সড়ক ও সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের ঘটনায় বিচার দাবিতে সাধারণ ছাত্রদের আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এবার সড়কে নামছে সংগঠনটি। এর অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে থেকে নিরাপদ সড়কের দাবিতে মৌন মিছিল করবেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন পরিবর্তন ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রসঙ্গত, গত রোববার রাজধানীর কুর্মিটোলায় উড়াল সেতুর ঢালে রাস্তার পাশে অপেক্ষমাণ শিক্ষার্থীদের ওপর বাস তুলে দেয় জাবালে নূর পরিবহনের চালক। এতে শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত এবং আরও নয়জন আহত হয়। আহত শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ওই ঘটনার প্রতিবাদে প্রথমে রাস্তায় নামে শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থীরা। এরপর তাদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে রাজধানীসহ সারাদেশের শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। গত কয়দিন ধরেই তারা রাস্তা-ঘাট বন্ধ করে দিয়ে তাদের দাবি পক্ষে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে অটোরিকশায় ধাক্কায় শিক্ষক নিহত

নিরাপদ সড়কের আন্দোলনের মধ্যে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় অটোরিকশার ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী এক মাদ্রাসা শিক্ষক নিহত হয়েছেন।
গত ২৯ জুলাই বাসচাপায় রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে শিক্ষার্থীরা।
নিহত জব্বার আলী (৪০) হরিপুর উপজেলার বনগাঁও দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক। তার বাড়ি রাণীশংকৈল উপজেলার চেকপোস্ট গ্রামে।
দুর্ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে অটোরিকশা চালক ফারাজুল ইসলামকে (২৫) আটক করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে ওসি মান্নান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, জব্বার আলী মাদ্রাসায় যাওয়ার জন্য মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। ধুমপুর গ্রামে বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশার ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা অটোরিকশাটি আটক করলেও চালক পালিয়ে যায়। পরে অভিযান চালিয়ে চালক ফারাজুলকে আটক করা হয় বলে জানান তিনি।

জকিগঞ্জ অনলাইন নিউজ

ভয়ংকর নারী প্রতারক জাহেদা আক্তার পপি আটক

স্টাফ রিপোর্টারঃ   জকিগঞ্জে সুলতানপুর ইউনিয়নের বাদেজমা গ্রাম থেকে স্থানীয়রা এক ভয়ংকর নারী প্রতারককে আটক করে মঙ্গলবার পুলিশের কাছে সোপর্দ ক...